চট্টগ্রামে বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আর এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে ডাব ব্যবসায়ীরা। ওষুধ ব্যবসার পাশাপাশি ডাবের ব্যবসাও শুরু করে দিয়েছেন ফার্মেসির মালিকরা।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সকালে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে রাইসা মেডিকেল হল নামের একটি ফার্মেসি থেকে বের করা হয় স্তূপে স্তূপে রাখা ডাব। তারা ক্রেতাদের সংকট দেখিয়ে ১৫০ টাকা করে প্রতিটি ডাব বিক্রি করছিল। সেইসঙ্গে ওই ফার্মেসিতে পাওয়া যায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও।
অভিযানে ওই ফার্মেসিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই সময় অভিযানে দেখে অনেক ডাব ব্যবসায়ী পালিয়ে যান।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সামনে দেখা যায় এমন চিত্র।
এ সময় ক্রয়মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও অবৈধভাবে ডাব মজুদ করায় দুই বিক্রেতাকে ৩০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার।
সংস্থাটি জানিয়েছে, চমেক হাসপাতালের সামনে এক বিক্রেতা মাত্র পাঁচটি ডাব বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি সন্দেহজনক হলে বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে ডাব মজুদের কথা স্বীকার করে।
পরে একটি ফার্মেসির পিছনে কয়েকশ’ ডাব মজুদ করে রাখার তথ্য দেয় সে। ডাব মজুদ করে রাখার অপরাধে ওই দোকানিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে, আরেক বিক্রেতা ৬০ টাকায় ডাব কিনে ৯০ টাকা বিক্রির অপরাধ পাঁচশ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, হাসপাতালের ডাবের আরও বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমান দোকান থাকলেও ভোক্তা অধিকারের অভিযানের খবরে ডাব রেখে পালিয়ে যায় বিক্রেতারা।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, অভিযানের সময় অনেক ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী ডাব ও ভ্যান রেখে পালিয়ে যান। পাশাপাশি ফার্মেসিগুলোতে ডাব বিক্রির কথা নয়। অথচ তারা ওষুধ ছেড়ে ডাব ব্যবসায় নেমেছেন। তার উপর একটি ফার্মেসিতে টেবিলের উপর কয়েকটি ডাব দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। তখন ফার্মেসির পেছনে আমরা বিপুল পরিমাণে মজুদ করা ডাব দেখতে পাই। তাই দোকান মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।

