নারায়ণগঞ্জের বন্দরের বহুল আলোচিত হত্যা মামলার পলাতক আসামী সুমন ওরফে শোভনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ এর একটি টিম।
গত ১৭ জুন ২০২৩ইং তারিখ দুপুর ২টায় দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষে নিহত ভিকটিম মোঃ আবু বক্কর (২১), পিতা-মোঃ হারুন অর রশিদ, সাং-ঝাউতলা কলাবাগ, থানা-বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ নিজ বাসায় ঘুমিয়ে পড়েন। ঐ দিন বিকাল ৫ টার সময় ভিকটিম মোঃ আবু বক্কর (২১) কাউকে কিছু না বলে বাসা হতে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে রাত ১০টায় সময় ভিকটিম আবু বক্কর ঘরে ফিরে না আসলে ভিকটিমের পিতা তার আত্মীয় স্বজনের বাসায় ভিকটিমকে না পেয়ে খোঁজাখুজি করতে থাকে।
নিহত আবু বক্করের পিতা গত ১৯ জুন ২০২৩ইং তারিখ সকাল ৬টায় কাজের উদ্দেশ্যে তার রিক্সা নিয়ে বাসা হতে বের হয়ে বন্দর থানার টিনের মসজিদের সামনে চায়ের দোকানে গেলে জানতে পারে যে, বন্দর থানাধীন উত্তর কলাবাগ আব্দুল কাদিরের পুকুরে একটি অজ্ঞাতনামা লাশ পাওয়া গেছে। তিনি সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ছেলে ভিকটিম মোঃ আবু বক্কর এর লাশ সনাক্ত করেন।
জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী সুমন ওরফে শোভন সহ তার সহযোগী পলাতক অন্যান্য আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে ভিকটিম মোঃ আবু বক্করকে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করে হত্যা করে লাশগুম করার উদ্দেশ্যে বন্দর থানাধীন উত্তর কলাবাগ জনৈক আব্দুল কাদিরের পুকুরে ফেলে দেয়। উক্ত ঘটনায় নিহত ভিকটিমের পিতা মোঃ হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর হতে উক্ত আসামী পলাতক ছিল।
প্রাথমিক তদন্ত সূত্রে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী সুমন ওরফে শোভন নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার কলাবাগ এলাকার আবদুল হাকিমের ছেলে।
নৃশংস এই ক্লুলেস হত্যাকান্ডে জড়িত তদন্তে সন্দিগ্ধ দীর্ঘদিন পলাতক আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ, সদর কোম্পানি এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। অবশেষে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ক্লুলেস হত্যা মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ দীর্ঘদিন পলাতক আসামী সুমন @ শোভনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী’কে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

