চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন বলেছেন, নতুন সেতু চাইতে চাইতে দেয়া হয়েছে ফেরি। উন্নয়নের দেশে ফেরি দিয়ে চলাচল মানুষের জন্য দুর্ভোগ ছাড়া আর কিছুই নয়। বারবার কালুরঘাট সেতুর কথা বলে আসছি। কেন সেতু হচ্ছে না, সেতু বাস্তবায়নে কারা বাঁধা দিচ্ছে? যারা বাঁধা দিচ্ছে তারা দেশের শত্রু, জাতির শত্রু। প্রয়োজনের কারণে পদ্মা সেতু হয়েছে, কিন্তু আমাদের এই সামান্য কালুরঘাট সেতুটি কেন হচ্ছে না।
শনিবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে কালুরঘাটের পশ্চিম পাড়ে অবিলম্বে কালুরঘাট নতুন সেতু নির্মাণের দাবীতে এবং পুরাতন সেতু সংস্কারের নামে অগণিত মানুষের ভোগান্তির প্রতিবাদে নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। নাগরিক সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল মোমেন, শেখ সালাউদ্দীন, বোয়ালখালী উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদ জাহাঙ্গীর আলম, নাগরিক ফোরামের সহ সভাপতি শাহরিয়ার খালেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনছুর আলম, গোলাফুর রহমানসহ নাগরিক ফোরামের আরো নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সংগ্রাম সেতু মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে। আগামী দুই মাসের মধ্যে কোন অগ্রগতি না হলে প্রয়োজনে চট্টগ্রামে হরতাল হবে। তারপর বুঝা যাবে এটি জাতীয় সমস্যা কিনা। আজকে ফেরিতে ভোগান্তি চলছে। পণ্টুন ডুবে যাওয়ার কারণে যাত্রীদের সাঁতার কেটে তীরে উঠতে হয়। দেশের জন্য জেল, জুলুমকে আমি ভয় পায় না। নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন চাই। যে দেশে পদ্মা সেতু হয় সে দেশের কালুরঘাট সেতু নিয়ে এতো তামাশা কেন? সেতুর দায়িত্ব চট্টগ্রামবাসীর উপর ছেড়ে দেন। চট্টগ্রামবাসী চাঁদা তুলে সেতু নির্মাণ করবে। কালুরঘাট সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেতু। একটি সেতুর অভাবে কত মা-বোন এ্যাম্বুলেন্সে মারা গেছে। দুর্ঘটনার তো শেষ নেই এই সেতুকে ঘিরে। এই সেতু না হলে কালুরঘাটের উপর দিয়ে রেল যেতে দেয়া হবেনা।

