বাংলাদেশে থাকা রাষ্ট্রদূতদের সব ধরনের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার কোনো শিথিলতা দেখাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
অতীতে কূটনীতিকদের স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হলি আর্টিজান হামলার পরে কূটনীতিকদের বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে কূটনীতিকরা প্রয়োজনীয় যে নিরাপত্তা পান তার ব্যবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
বিবৃতিতে বিএনপি নেতাদের গণচেতনাবিচ্ছিন্ন বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
‘আওয়ামী লীগ ঐতিহ্যগতভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল’ জানিয়ে বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এদেশের হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে যা যা করার তা একমাত্র আওয়ামী লীগই করেছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান অসাংবিধানিক উপায়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ধ্বংস করেছিল। সামরিক স্বৈরাচারের বুটের তলায় পিষ্ট হয়েছিল এদেশের মানুষের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। কারফিউ বলবৎ রেখে দেশে নির্বাচনের নামে প্রহসন সৃষ্টি করে জনগণের সঙ্গে তামাশা করেছিল। ভোট ডাকাতির প্রতিভূ শক্তি বিএনপির মুখে তাই গণতন্ত্রের কথা মানায় না।’
‘বিএনপির তথাকথিত আন্দোলন হালে পানি না পাওয়ায় তাদের নেতারা প্রতিদিন চিরাচরিত একঘেয়ে বক্তব্য দিয়েই যাচ্ছে’ মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তারা সমালোচনার নামে শুধু সরকারের সমালোচনা করে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে শেখ হাসিনার গৃহীত উন্নয়ন নীতির কারণে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার বিপরীতে বিএনপির হাতিয়ার হলো ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও উসকানিমূলক বক্তব্য।’

