৪৮ ঘন্টার মধ্যে সোনারগাঁয়ের চাঞ্চল্যকর “আমির হোসেন” হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ২ জন আসামী র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ গ্রেফতার করেছ।ে
গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জ গত সোমবার (৮ মে) রাতে অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানাধীন শান্তির বাজার এলাকা হতে এজাহারনামীয় অন্যতম আসামী মোঃ জহিরুল প্রকাশ জহির(৩৪), পিতা- মৃত আনিছুর রহমান, সাং-গোয়ালপাড়া, থানা- সোনারগাঁ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন মদনপুর এলাকা হতে এজাহারনামীয় আসামী ইউনুস(৩০), পিতা- মৃত হক সাহেব, সাং-বাড়ইপাড়া, থানা- আড়াইহাজার, জেলা-নারায়ণগঞ্জ’দ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য যে, নিহত “আমির হোসেন” একজন মুদি ব্যবসায়ী। গ্রেফতারকৃত আসামীদের সাথে ভিকটিমের টাকা পয়সা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। উক্ত বিরোধের জেরে গ্রেফতারকৃত আসামীরা তাদের অন্যান্য সহযোগীসহ গত ৫মে রাত ১০.৩০ টার সময় ভিকটিমের নিজ বাড়ি হতে ডেকে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে গত ৬মে ভিকটিম আমির হোসেন’এর মৃত দেহ নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানাধীন মাধবদী সাকিনস্থ জনৈক জাকির হোসেন এর ধান ক্ষেতে ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা পলাতক অন্যান্য আসামীদের সহায়তায় ভিকটিমকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী জাকিয়া আক্তার বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, উক্ত হত্যাকান্ডের পর হতে এজাহারনামীয় আসামীরা কৌশলে আত্মগোপন করে। এরই প্রেক্ষিতে র্যাব-১১ এর একটি চৌকস গোয়েন্দা দল হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত পলাতক আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরু করে এবং এজাহারনামীয় আসামী মোঃ জহিরুল প্রকাশ জহির(৩৪) এবং ইউনুস(৩০)’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা বর্ণিত হত্যাকান্ডের সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানায় অত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

