প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত; তাই দেশের সমৃদ্ধিও সুশাসনই আমাদের লক্ষ্য।
‘দেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে না, এটা জাতির পিতাই প্রথম বলেছিলেন। শুধু বলেননি, তিনি নিজেও কাজ করতেন। গণভবনে তখন ২৩ মণ আলু হয়েছিল। জাতির পিতা আর কয়েক বছর সময় পেলে আরও অনেক আগেই বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হতো। কিন্তু অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীরা ক্ষমতায় এসে সব ধ্বংস করে দেয়। যে দেশে সামরিক একনায়করা ক্ষমতায় আসে, সেখানেই তারা দুর্নীতিকে নীতিতে পরিণত করে। কারণ তাদের মানুষের কাছে দায়বদ্ধতা থাকে না।’
‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত; তাই আমরা কাজ করছি জনকল্যাণে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা শুদ্ধাচার নীতি নিয়েছি। দেশের সমৃদ্ধি ও সুশাসনই আমাদের লক্ষ্য,’ বলেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আজকের নবীন কর্মকর্তাই হবেন ৪১-এর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সৈনিক। পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সে দায়িত্ব বর্তায় নবীন কর্মকর্তাদের ওপর।
কোভিড মহামারি ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি উল্লেখে করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এসব কারণে কয়টি দেশ এসডিজি বাস্তবায়ন করতে পারে, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। তবে আমরা যেভাবে পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি, তাতে এসডিজির অনেক লক্ষ্যই বাস্তবায়ন করতে পারব।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি ব্যবহারসহ সবক্ষেত্রে আমাদের সাশ্রয়ী ও মিতব্যয়ী হতে হবে; নজর দিতে হবে উৎপাদন বাড়ানোর দিকে। ইউক্রেন যুদ্ধ কতদিন চলবে, তা জানা নেই। তবে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি অবস্থা মোকাবিলা করতে।’

