বাংলার প্রকৃতিতে নতুন রূপ, বাঙালির মনে নতুনের আবাহনের অনূভূতি ! আর সেই অনূভূতির জানান দিতে ফাগুনের প্রথম সকালে চট্টগ্রাম উৎসবে মেতেছে। সাথে আবার ভালোবাসা দিবসও। মনকে কী আর ঘরে বেঁধে রাখা যায় ! বাসন্তী রঙের শাড়ি, হাতে চুড়ি, কপালে টিপ ও খোঁপায় ফুল গুঁজে মেয়েরা গাইছে বসন্তের গান। পাঞ্জাবি, ফতুয়া পড়ে প্রিয়জনের হাত ধরে উৎসবের সঙ্গী ছেলেরাও।
মঙ্গলবার সকাল থেকে বোধন আবৃত্তি পরিষদের বসন্তবরণের উৎসব চলে নগরীর আন্দরকিল্লায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন চত্বরে। আবৃত্তিশিল্পী অঞ্চল চৌধুরীর একক আবৃত্তি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। এরপর রণধীরের বংশীধ্বনির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে অনুষ্ঠানমালা।
বোধনের আরেক অংশের উদ্যোগে নগরীর আমবাগানে রেলওয়ে জাদুঘরের সামনে শেখ রাসেল পার্কের মুক্তমঞ্চে বসন্তবরণের উৎসব উদযাপিত হয়। এদিন সকালে বংশীধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্তবরণের অনুষ্ঠান। এরপর সংগঠনের সভাপতি সোহেল আনোয়ার একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন। আবৃত্তিকার হাসান জাহাঙ্গির, দেবাশীষ রুদ্র, রাশেদ হাসানের একক আবৃত্তির মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে অনুষ্ঠানমালা। সংগীত ভবন, অভ্যুদয়, সুরপঞ্চম ও ধ্রুপদ সংগীত নিকেতনের শিল্পীরা দলীয় সঙ্গীত এবং বোধনের শিশু বিভাগের শিল্পীরা বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন।

দুপুরে কথামালা পর্বে সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিন এবং সাংবাদিক ডেইজি মওদুদ বক্তব্য রাখেন।
সকাল ৮টায় নগরীর সিআরবির শিরীষতলায় মুক্তমঞ্চে ভায়োলিনিস্টস চট্টগ্রামের প্রিয়তোষ বড়ুয়ার বেহালা বাদনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রমা আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠনের বসন্ত উৎসব। সংগঠনের সভাপতি রাশেদ হাসানের একক আবৃত্তি, ওড়িশী নৃত্যশিল্পী প্রমা অবন্তীর দলের নাচে মেতে উঠে শিরিষতলার মঞ্চ।

