ক্রিকেট ছেড়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান! বুধবার (৪ জানুয়ারি) গালফ অয়েল বাংলাদেশ লি. এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। তবে একদিনের জন্য এ দায়িত্ব নিয়েছেন এ ক্রিকেটার।
এদিন বেলা ১১টায় তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে এসে সিইওর দায়িত্ব নেন সাকিব আল হাসান। মূলত গালফ অয়েলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তিনি। কোম্পানির প্রচারের জন্যই মূলত এ অভিনব আয়োজন।
এ সময় নিজের অনুভূতি জানতে চাইলে সাকিব বলেন, খুবই ভালো লাগছে। প্রথমবার এরকম একটা দায়িত্বশীল পদে এলাম। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ এসেছে, এই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করাই একটি বড় মজার বিষয়। আমার কাছে এই ধরনের চ্যালেঞ্জ ভালো লাগে। চেষ্টা করবো ভালো কাজের মাধ্যমে এই কোম্পানিকে আরো সামনে নিয়ে যাওয়ার।
ভবিষ্যতে সত্যিকার অর্থেই এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের সিইও হওয়ার স্বপ্ন দেখেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ক্রিকেট নিয়েই স্বপ্ন আছে। যখন তা শেষ হবে, তখন নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু করবো।
সিইও হিসেবে প্রথম কী কাজ করবেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি হেসে বললেন, অম্লান দা-কে (অম্লান মিত্র, সিইও গালফ অয়েল বাংলাদেশ) ফায়ার করলাম। বলা আসলে কঠিন। এ রকম পজিশনে কাজ করতে হলে আগে থেকে কাজগুলো বিশ্লেষণ করে আসতে হয়। আসলে এরকম একটি কোম্পানিতে সবার মতামত নিয়েই কাজগুলো করা হয়। তো, আমিও সবার সম্মতি নিয়েই সিদ্ধান্তগুলো নেবো।
গালফ ওয়েল বাংলাদেশ লি. এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অম্লান মিত্র বলেন, আমি একদিনের অব্যাহতি পেলাম। সাকিব রোজই দলের সিইও হয়ে মাঠে নামেন। তো একদিন এই অবস্থানে বসে দেখুক, এখানে কেমন চাপ আছে। এটি একটি আইডিয়া।
তিনি বলেন, গত চার বছর ধরে সাকিব আমাদের কোম্পানির একটি অংশ। করোনা মহামারিসহ এত দুর্যোগের পরও আমরা অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। তিনি (সাকিব) আমাদের সৌভাগ্যের প্রতীক। পাশাপাশি সে আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও। আমাদের এই অফিসটা নতুন। এখানে তিনি আগে আসেননি। চাচ্ছিলাম সাকিব যেন এই অফিসটা দেখেন। এক মাস আগে আমরা এই অফিসটা নিই, তিনি তখন ছিলেন না।
তিনি আরও বলেন, ‘তিনি (সাকিব) আমাদের সৌভাগ্যের প্রতীক। পাশাপাশি সে আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরও। আমাদের এই অফিসটা নতুন। এখানে তিনি আগে আসেননি। চাচ্ছিলাম সাকিব যেন এই অফিসটা দেখেন। এক মাস আগে আমরা এই অফিসটা নিই, তিনি তখন ছিলেন না।’

