নারায়ণগঞ্জে সাবলেট বাসায় ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক হৃদয় প্রধান (৩০)কে ঢাকার শ্যামপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়,অভিযুক্ত ধর্ষক হৃদয় প্রধান (৩০) এবং ভিকটিম (২৫) নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন পাইনাদি কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের পিছনে মমিন মিয়ার বাড়ির ২য় তলার ভাড়াটিয়া। ভিকটিম এবং আসামী হৃদয় প্রধান মমিন মিয়ার বাড়ির ২য় তলার ফ্ল্যাটে সাবলেট হিসেবে স্ব-পরিবারে বসবাস করত। গত ২১ডিসেম্বর সকালে আসামীর স্ত্রী আদমজী ইপিজেডে চাকুরীতে যায় এবং ভিকটিমের স্বামীও চাকুরীর জন্য মোহাম্মদপুর এলাকায় চলে যায়। এই সুযোগে আসামী হৃদয় প্রধান (৩০) ভিকটিমকে বাসায় একা পেয়ে ভিকটিমের ব্যবহৃত উড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে জোরপূর্বক ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৪৬ তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২২। উক্ত ধর্ষণের পর হতে এজাহারনামীয় আসামী হৃদয় প্রধান (৩০) কৌশলে আত্মগোপন করে।
এরই প্রেক্ষিতে র্যাব-১১ এর একটি চৌকস গোয়েন্দা দল ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামী হৃদয় প্রধান (৩০)’কে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য গোয়েন্দা অনুসন্ধান শুরু করে এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৭ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ডিএমপি, ঢাকার শ্যামপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মামলা হওয়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামী হৃদয় প্রধান (৩০), পিতা- মৃত ওয়াহেদ প্রধান, সাং- কৃষ্ণপুর, থানা-মতলব উত্তর, জেলা-চাঁদপুর’কে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী বর্ণিত ধর্ষণের সাথে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে।পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

