আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুপুরের জনসভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই পলোগ্রাউন্ডমুখী মানুষের স্রোত বয়ে যাচ্ছে। ভোরের আলো ফুটতেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রং বেরংয়ের টি শার্ট পরে ও বাদ্য যন্ত্র বাজিয়ে জনসভাস্থলের আশাপাশে এসে অবস্থান নিতে থাকেন। এরপর সিআরবি, পুরোনো রেলস্টেশন, টাইগারপাস থেকে মিছিল নিয়ে বানের স্রোতের মত নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করছেন। এসময় স্লোগোনে-স্লোগানে মুখর জনসভাস্থল ও চট্টগ্রামের রাজপথ।
রোববার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর তিনটায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
চট্টগ্রাম নগরে দীর্ঘ এক দশক পর আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকদিন ধরেই উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড থেকে কমলা রংয়ের টি শার্ট পরে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করতে থাকেন। এছাড়া চট্টগ্রামের সংসদ সদস্যরা তাঁদের নির্বাচনী এলাকা থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে সমাবেশ প্রাঙ্গণে এসেছেন। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নেতা-কর্মীরা নির্ধারিত রঙের টুপি ও গেঞ্জি পরে সমাবেশে হাজির হচ্ছেন।

রোববার সকাল ৯টার দিকে পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রবেশের মূল গেট খুলে দিলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে হাজার হাজার নেতাকর্মী প্রবেশ করতে থাকনে। রৌদ উপক্ষো করে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও মাঠে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। সবার মুখে স্লোগান, ঢাকঢোলে পুরো জনসভাস্থলে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ। হাজার হাজার নেতাকর্মীর জনসভাস্থলে প্রবেশ নিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এদিকে জনসভাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। জনসভাস্থলসহ পুরো চার কিলোমিটার এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। বসানো হয়েছে বড় পর্দার মনিটর। তিন শতাধিক মাইকে প্রচার হচ্ছে জনসভার কার্যক্রম। সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বিটিভিসহ আওয়ামী লীগের ফেসবুক পেজে।

