চট্টগ্রাম একাডেমি সাহিত্য চর্চার একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান। যেখানে সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে। গত বুধবার ছিলো ‘অন্তরঙ্গ আলোকে ড. বদরুল হুদা খান’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। এতে খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, ই-লার্নিং বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল হুদা খান সম্পাদিত ‘ঐতিহ্যের সিআরবি : চট্টগ্রামের ফুসফুস’ সংকলন ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক গবেষক ড. আনোয়ারা আলমের ‘শিশির থেকে শবনম’ বই নিয়ে আলোচনা হয়। অতিথি হিসেবে ছিলেন সংগীতশিল্পী ও শিক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ড. সীমা খান।
‘শিশির থেকে শবনম’ গ্রন্থের আলোচনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. উদিতি দাশ সোমা বলেন, বিদ্রোহী শিশির, সংসারী শিশির, গায়ক শিশির, লেখক শিশির, মা শিশির কেমন করে নীরবে নিভৃতে সবার অগোচরে ভোরের শিশিরের মতো হারিয়ে গেলেন কেউ জানলো না। মায়েদের মৃত্যু কখনো হয় না বলে হয়তো তাঁর সন্তান খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ই-লার্নিং বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল হুদা খানের ডাকে আর প্রাবন্ধিক গবেষক ড. আনোয়ারা আলমের কলমে আবার তিনি আমাদের মাঝে ফিরে এসেছেন।
‘শিশির থেকে শবনম’ গ্রন্থের লেখক ড. আনোয়ারা আলম সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কৃতজ্ঞতা জানালেন। অল্পকিছু তথ্যের ওপর নির্ভর করে একজন মহীয়সী নারীকে তাঁর লেখনিতে আবার এই প্রজন্মের কাছে তুলে ধরেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. বদরুল হুদা খান তাঁর বক্তব্যে, সিআরবি আন্দোলনের কথা বলেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের এই সবুজ বেষ্টিত এলাকা তিনি একটি বিদেশি চ্যানেলের সাহায্যে দেখিয়েছেন বিশ্ববাসীকে। এদেশের মানুষ পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন, জন্মস্থানের মায়া তাঁদের প্রাণে ঠিকই রয়ে যায়।
চট্টগ্রাম একাডেমির মহাপরিচালক প্রাবন্ধিক আমিনুর রশীদ কাদেরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দৈনিক চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক, প্রাক্তন লায়ন গভর্নর মোস্তাক হোসেন, প্রাবন্ধিক নেছার আহমদ, কবি জিন্নাহ চৌধুরী, কবি অরুণ শীল, কবি আবু মুসা চৌধুরী, সংগঠক জাহাঙ্গীর মিঞা, প্রাবন্ধিক কাঞ্চনা চক্রবর্তী প্রমুখ।
এছাড়াও ছিলেন একাডেমির পরিচালক প্রফেসর রীতা দত্ত, এস এম আবদুল আজিজ, শারুদ নিজাম, এস এম মোখলেসুর রহমান, অধ্যাপক মৃণালিনী চক্রবর্তী, কবি আবুল কালাম বেলাল, প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক রাশেদ রউফ প্রমুখ।

