চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার নথি পুলিশ থেকে জুডিসিয়াল হেফাজতে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও মিতু হত্যায় দায়ের হওয়া প্রথম মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দির নথি আসামিপক্ষের আইনজীবীকে প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৩ আগস্ট) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমান ও সারোয়ার জাহানের আদালত পৃথক এ দুটি আদেশ দেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজমুল হুদা।
তিনি বলেন, বাবুল আক্তারের মামলার নথি জুডিসিয়াল হেফাজতে নিতে এবং আগের মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন ও জবানবন্দির নথি নিতে আদালতে পৃথক দুটি আবেদন করা হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন পুলিশ সুপার ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তবে বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় স্ত্রী হত্যাকান্ডে তারই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। গত ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। একইদিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন।

