ফেনীর সোনাগাজীতে মায়ের সামনে মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেনী শহরের মিজান রোডের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সে সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ২০০৩ সালের ১৩ মে রাতে সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের সনাতন ধর্মের একটি পরিবারের মা-মেয়েকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে মায়ের সামনে কিশোরী মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে পরদিন চারজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে গত ১৪ জুলাই ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওসমান হায়দার তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড ও এক আসামিকে খালাসের রায় ঘোষণা করেন।
একইসঙ্গে প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্তকে ২ লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আবুল কাশেম, মো. লাতু ও জাহাঙ্গীর আলম। খালাস পেয়েছেন মোহাম্মদ ফারুক। রায় ঘোষণার সময় মোহাম্মদ ফারুক আদালতে উপস্থিত থাকলেও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি পলাতক ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর আলম আদালতে আত্মসমর্পণ করতে আইনি পরামর্শ নিতে রোববার সন্ধ্যায় তার ভগ্নিপতিকে সঙ্গে নিয়ে আইনজীবী করিমুল হক দুলালের চেম্বারে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান তাকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছেে।
ইমা

