চট্টগ্রামে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৪ জন

  নিজস্ব প্রতিবেদক |  বুধবার, নভেম্বর ১৭, ২০২১ |  ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
       

করোনায় চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪ জনের নমুনায় ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ০ দশমিক ২৯ শতাংশ। এ দিন জেলায় করোনায় আক্রান্ত কোনো রোগির মৃত্যু হয়নি। গ্রামে কোন নতুন জীবাণুবাহক পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রামের হালনাগাদ করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আজকের রিপোর্ট থেকে এ সব তথ্য জানা যায়।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রিপোর্টে বলা হয়, ফৌজদারহাট বিআইটআইডি ও নগরীর নয়টি ল্যাবে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের ১ হাজার ৩৭২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আক্রান্ত ৪ জনই শহরের। করোনায় জেলায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ১ লাখ ২ হাজার ৩২৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৪ হাজার ৩১ শহরের ও ২৮ হাজার ২৯২ জন গ্রামের। গতকাল করোনায় শহর ও গ্রামে এক জনও মারা যায়নি। জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩২৮ জনই রয়েছে। এতে শহরের ৭২৩ ও গ্রামের ৬০৫ জন।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, গতকাল সবচেয়ে বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে। এখানে ৪৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় শহরের ২ জীবাণুবাহক পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ৪৫ জনের নমুনার মধ্যে একজন করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হন। মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল ল্যাবে ৩৩ নমুনায় একটি পজিটিভ চিহ্নিত হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৭, নগরীর বিশেষায়িত কভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ ২, বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে শেভরনে ২৯৯, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৩০১, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১৭৭, এপিক হেলথ কেয়ারে ৪২ ও মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়। সাত ল্যাবে পরীক্ষিত ৮৪৩ নমুনার একটিতেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি।
এ দিন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, ল্যাব এইড ও এন্টিজেন টেস্টে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। চট্টগ্রামের কোনো নমুনাও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে যায়নি।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে বিআইটিআইডি’তে ০ দশমিক ৪৪ শতাংশ, চমেকে ২ দশমিক ২২ ও মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং চবি, আরটিআরএল ৭৫, শেভরন, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল, এপিক হেলথ কেয়ার ও মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ০ শতাংশ সংক্রমণ হার পাওয়া যায়।