ব্রাজিল রাষ্ট্রদূতের সাথে চিটাগাং চেম্বার সভাপতির মতবিনিময়

  |  রবিবার, অক্টোবর ৩, ২০২১ |  ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
       

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত জোয়াও তাবাজারা দো অলিভেইরা জুনিয়র দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম’র সাথে ২ অক্টোবর(শনিবার) রাতে নগরীর একটি হোটেলে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় রাষ্ট্রদূতের স্ত্রী সান্দ্রা এস্টিভেস দো এন্দ্রাদে, নভো গ্রুপ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান ও ব্যবস্থাপক আশরাফুজ্জামান চৌধুরী এবং ভাটিয়ারী গল্ফ ক্লাব’র সিইও লে. কর্ণেল মোঃ তৌফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ব্ররাজিলের রাষ্ট্রদূত জোয়াও তাবাজারা দো অলিভেইরা জুনিয়র বলেন-বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি ব্রাজিলের বাজারে বাংলাদেশী পণ্য তেমন পরিচিত নয় উল্লেখ করে এক্ষেত্রে দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান এবং সম্পর্কোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং চিটাগাং চেম্বারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন-প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে রিও দে ক্যানিরো পোর্টের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্য চলমান ছিল। ব্রাজিলের নেতৃস্থানীয় তিন ব্যবসায়ী বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সাথে যৌথভাবে ব্যবসায়িক কর্মকান্ড পরিচালনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত নিজ উদ্যোগে তাদেরকে বাংলাদেশে নিয়ে আসবেন বলে চেম্বার সভাপতিকে অবহিত করেন। একই সাথে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ব্রাজিল ভ্রমণের ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন-বর্তমানে ফার্মাসিউটিক্যালস, আরএমজিসহ অনেক বাংলাদেশী পণ্যের যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সরাসরি বিজনেস চ্যানেল না থাকার কারণে ব্রাজিলে রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। তৃতীয় দেশের পরিবর্তে ডাইরেক্ট বিজনেস চ্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে উভয়দেশ অত্যন্ত উপকৃত হতে পারে। তিনি এক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করে বাংলাদেশ ও ব্রাজিল সরকারের প্রতি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে উভয়দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে চেম্বার সভাপতি বাংলাদেশে মিরসরাইসহ নির্মাণাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্রাজিলিয়ান বিনিয়োগসহ আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাংখিত অগ্রগতি প্রত্যাশা করেন।