শেখ হাসিনার সরকার দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন ঘটিয়েছে -এম এ সালাম

 নিজস্ব প্রতিবেদক |  রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ |  ৯:২২ অপরাহ্ণ
       

চট্টগ্রামরে ফটকিছড়রি নারায়ণহাট ইউনয়িনরে সুন্দরপুর-হাপানয়িা সড়কে ডক্টর মাহমুদ হাসান সতেু উদ্বোধন ও ফটিকছড়ি উপজেলায় মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ৩ টি গৃহহীন পরিবারের জন্য চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে নির্মিত গৃহের চাবি হস্তান্তর করা হয় শনিবার (১৮সেপ্টেম্বর)। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম উপস্থিত থেকে ডক্টর মাহমুদ হাসান সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে ফটিকছড়িতে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিদর্শন শুরু করেন।
অনুষ্ঠানে এম এ সালাম বলেন, শেখ হাসিনার সরকার গত এক যুগে যে উন্নয়ন করেছেন, তা এমনকি আওয়ামী লীগের একজন একনিষ্ট কর্মী হয়েও জীবনে কল্পনা করিনি। শেখ হাসিনার মত সৎ, সাহসী ও দুরদর্শী নেতৃত্ব সারা পৃথিবীতে বিরল। তিনি আরও বলেন আজকে জেলা পরিষদ সদস্য মরহুম ড. মাহমুদ হাসানের নামে ব্রীজ নির্মান করতে পারায় সকলেই অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গুণী নেতা ছিলেন। তাছাড়া দানবীরও ছিলেন। তিনি উপস্থিত সকলকে মরহুমের জন্য দোয়া করতে বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাব্বির ইকবাল, সচবি মো. দদিারুল আলম, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জলো পরষিদ সদস্য আখতার উদ্দনি মাহমুদ পারভজে, এড. উম্মে হাববিা, নারায়ণহাট ইউনয়িন পরিষদ চয়োরম্যান হারুনুর রশীদ, নানুপুর ইউনয়িন পরিষদ চয়োরম্যান শফিউল আজম,চট্টগ্রাম উত্তর জলো আওয়ামী লীগ সদস্য বখতয়িার সাঈদ ইরান, সাবকে চয়োরম্যান মোহাম্মদ ইব্রাহমি হোসনে, সাবকে জলো ছাত্রলীগ নতো গয়িাস উদ্দনি, বাবলু বশ্বিাস, হারাধন বাবু, ইউপি সদস্য শওকত আকবর, আলতাফ হোসনে, রুপসী বনকি অন্তরা,তাহরো বগেম, ইউনয়িন যুবলীগ সভাপতি মোহাম্মদ মুসা, মজেবাহ উদ্দনি, সাদকে আলী সকিদার শুভ, রন্টিু নাথ, আহমদে এরশাদ খোকন, রাসলে উদ্দনি, শাহ আলমসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ।
উল্লেখ্য,মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে জেলার ৫০ টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর তৈরী করে দেয়ার জন্য (জমি আছে ঘর নাই) প্রকল্প গ্রহন করে বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ। এ প্রকল্পের আওতায় জেলার ১৫টি উপজেলা ও মহানগরে মোট ৫০টি ঘর নির্মান কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। প্রতিটি ঘরের জন্য একটি করে নলকূপসহ নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৬৮,৮৪৮ /- টাকা।