কারিতাস বাংলাদেশ’র অনুষ্ঠানে বক্তারা

মাদক হতে সুস্থতাপ্রাপ্তদের দক্ষতা ও অর্থনেতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে

 নিজস্ব প্রতিবেদক |  সোমবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২ |  ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
       

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঘৃণা বা অবহেলা নয় বরং ভালোবাসা ও সুচিকিৎসা অন্যতম সহায়ক। মাদকাসক্তদের আলোকিত ও সমৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে আনতে রাষ্টের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসহ সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রচেষ্টায় জনসচেতনতা, কাউন্সেলিং, আয় বৃদ্ধিমূলক সহায়তার মাধ্যমে মাদক হতে সুস্থতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের স্ব-স্ব সক্ষমতা ও দক্ষতা অনুসারে আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

সোমবার( ১২ সেপ্টেম্বর)  কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চল কর্তৃক আয়োজিত মাদক হতে সুস্থতাপ্রাপ্ত নারী-পুরুষদের (রিকভারি) আইজিএ সহায়তা ও ষান্মাষিক অংশীজন সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। কারিতাস চট্টগ্রামের আঞ্চলিক পরিচালক রিমি সুবাস দাশ’র সভাপতিত্বে এবং কর্মসূচি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন।

কারিতাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহান উদ্দীন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চট্টমেট্টো উপঅঞ্চলের পরির্দর্শক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ইলমা’র প্রধান নির্বাহী ও মানবাধিকার কর্মী জেসমিন সুলতানা পারু, আলো মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের কাউন্সিলর শাহ জামান, স্বপ্নিল ব্রাইট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শিকদার আলী, এসডিজি ইয়ুথ ফোরাম’র সভাপতি নোমান উল্লাহ বাহার, ঘাসফুলের কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, স্মাইল প্রকল্পের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, নারী উদ্যোক্তা প্রমুগ্ধা লিয়েনা চৌধুরী, নেটওয়ার্কিং ফোরামের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শফিউল আযম হিরু, সমাজসেবী রোকেয়া সুলতানা, স্মাইল প্রকল্পের ইয়ুথ সদস্য মোহাম্মদ ওসমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, কারিতাস চট্টগ্রামের স্মাইল প্রকল্পের আওতায় মাদক ও ঝুকিপূর্ণ পেশা হতে ফিরে আসা ২২ জন (নারী-১২; পুরুষ-১০) ক্লায়েন্টকে প্রথম কিস্তিতে শর্তহীন ১০,০০০/- টাকা করে আয় বৃদ্ধিমূলক কাজের জন্য পেশাভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, মাদক প্রতিরোধ করতে হলে প্রথমে পরিবার থেকে শুরু করতে হবে। পরিবারের পাশাপাশি সমাজেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক প্রতিরোধ সম্ভব নয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশের ন্যায় মাদকবিরোধী বিভিন্ন ধরনের সচেতনতা মূলক কার্যক্রম ও রিকোভারিদের অর্থনৈতিক পুনর্বাসনের নিমিত্তে বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। শুধু প্রশাসন নয় সমাজের সকল স্তরের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের একত্রিত হয়ে মাদক প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে।

ইমা