চট্টগ্রামে বাড়ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ভয়াবহতা

 বশির আলমামুন |  সোমবার, আগস্ট ৯, ২০২১ |  ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
       

চট্টগ্রাম নগরীসহ জেলা উপজেলা পর্যায়ে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাইয়ে ভয়ঙ্কর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগী আক্রান্তের পর আগস্টেও আরও একজন রোগী শনাক্ত হয়েছে৷ আগের ৬০ উর্ধ্ব নারীর পর এবার ৪০ উর্ধ্ব পুরষ রোগীর চোখে এ ছত্রাক বাসা বাঁধে। গত ৬ আগস্ট থেকে এ রোগী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। কর্ণফুলী উপজেলার বাসিন্দা ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী এ রোগী করোনার দুই ডোজ টিকাও দিয়েছেন এবং করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না। এরপরও তিনি ভয়ঙ্কর এ ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হন।
চিকিৎসকদের মতে, ব্ল্যাকফাঙ্গাসের চিকিৎসা মূলত নির্ভর করে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর। সেজন্য কিছু ওষুধ আছে, আবার তীব্রতা বেশি হলে ইনজেকশন প্রয়োগ হয়। এই চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম বেশি হওয়ায় এবং রোগীর নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয় বলে এই চিকিৎসা ব্যয়বহুল।
রোগীর স্বজনরা বলছেন, এ রোগের প্রধান ওষুধ ইনজেকশন অ্যামফোটেরিসিন-বি। তবে এই ইনজেকশনের দাম যেমন আকাশ ছোঁয়া তেমনি অপ্রতুলও। ফলে রোগীর চিকিৎসায় হিমসিম খেতে হচ্ছে। এরআগে শনাক্ত হওয়া রোগীর জন্য ইনজেকশন জোগাড় করতেও হিমসিম খেতে হয়েছিল তার স্বজনদের। এই রোগীর জন্য প্রতিদিন ৬ ভায়াল করে ১৪ দিন অ্যামফোটেরিসিন-বি ইনজেকশনটি দিতে হবে। যার প্রতি ভায়ালের মূল্য ১৫ হাজার টাকা করে হলে দিনেই ব্যয় ৮৪ হাজার টাকা। তাও এই ইনজেকশন আনতে হয় ইন্ডিয়া থেকে। এছাড়া অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয়তো আছেই।