চসিকের ২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

একনেক সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূূন, স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী প্রমুখ অংশ নেন।

প্রকল্পের আওতায় ৭৬২ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া ৩৮টি ফুটওভার ব্রিজ, ১৪টি ব্রিজ, ২২টি কালভার্ট ও ১০টি গোলচত্বর করা হবে। এছাড়া এ প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক বিমানবন্দর সড়ককে চার লেনে উন্নীত করা। অর্থাৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চার লেনে উন্নীত হবে বিমানবন্দর সড়ক। এছাড়া সড়কটিতে ৬০০ মিটার ওভারপাস নির্মাণ করা হবে। বিমানবন্দর সড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল ২০১৭ সালে। ওই বছরের ২১ আগস্ট নগর ভবনে চট্টগ্রাম বন্দরসহ ২১টি সেবা সংস্থার সঙ্গে চসিকের উদ্যোগে সভা হয়েছিল। এতে সব প্রতিষ্ঠান বিমানবন্দর সড়ক সম্প্রসারণে একমত হয়। পরবর্তীতে জাইকার অর্থায়নে অন্য একটি প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সিমেন্ট ক্রসিং থেকে নেভি ফ্লোটিলা মোড় পর্যন্ত এবং বোট ক্লাব থেকে বাটারফ্লাই পার্ক পর্যন্ত চার লেইনে উন্নীতকরণের কাজ শুরু করে চসিক। বিদ্যমান প্রকল্পে নেভি ফ্লোটিলা মোড় থেকে ড্রাইডক ওমেরা পর্যন্ত ৩ দশমিক ১৪ কিলোমিটার অংশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

চসিকের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানান, একনেকে চসিকের ২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। এ প্রকল্পের অধীনে ৭৬৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন, ৩৮টি ফুট ওভারব্রিজ, ১টি ওভারপাস, ১৪টি ব্রিজ, ২২টি কালভার্ট, ১০টি গোলচত্বর নির্মাণ করা হবে। তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। এ প্রকল্পে চসিককে ‘ম্যাচিং ফান্ড’ জোগান দিতে হবে না।