অজুহাত দেখিয়ে ও নালিশ করে জনকল্যাণ করা যায় না: মেয়র প্রার্থী: রেজাউল করিম

বশির আলমামুন
চসিক নির্বাচন উপলক্ষে আজ সোমবার বিকেলে ৪র্থ দিনের দলীয় প্রচারনায় নগরীর মোহরা, চান্দগাঁও এবং পূর্ব ষোল শহর ওয়ার্ডে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। এর আগে সকাল বেলায় তিনি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর এক দফার প্রস্তাবকারী চট্টল শার্দূল জননেতা এম আজিজের কবর জেয়ারত করেন এবং মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় যোগ দেন।
গণসংযোগকালে বিভিন্ন পথসভায় স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে রাখা বক্তব্যে বলেন, জনকল্যানে কাজ করতে হলে জনগণের কাছে যেতে হবে। অজুহাত, নালিশ, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য সৃষ্টির অপরাজনীতি করে জনকল্যান হয় না।
হত্যা, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে যে দলের জন্ম তারা মানুষকে কি দিতে পারে তা বাংলাদেশ দেখেছে। তারা পারে কেবল ধোকা দিতে। তারা মানুষকে খাম্বা দিতে পারে, বিদ্যুৎ দেয়না। আর টাকা যায় তাদের বিদেশের একাউন্টে। তারা এতিমের নামে সাইনবোর্ড লাগাতে পারে, এতিমের ঘরবাড়ী করেনা আর এতিমের টাকা যায় প্রসাধনীতে।
ভোটারদের লক্ষ্য করে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল। গণমানুষের কল্যানই আওয়ামী লীগের রাজনীতি। তাই আমি আপনাদের কাছে এসেছি, আপনাদের দোয়া নিতে। বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাকে আপনাদের সেবার দায়িত্ব দিতে চান। তাই, নৌকা মার্কায় ভোট চাইতে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন। আমি আপনাদের সন্তান, বীর চট্টলার সন্তান। বীর চট্টলার ধূলোমাটির ঋণ আমি চট্টগ্রামের মানুষের সেবা করে এবং চট্টগ্রামকে অধিকতর সমৃদ্ধ করার মধ্য দিয়ে শোধ করতে চাই।
চান্দগাঁও থানা এলাকা ছিল বিস্তীর্ণ প্রান্তর। পরিকল্পিত উন্নয়নের অভাবে এলাকার অনেকটা ঘিঞ্জি পরিবেশ হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যে নাগরিক সুবিধা চান্দগাঁও, মোহরা, ষোল শহরের মানুষ পাচ্ছে তা অন্য কোন সরকার দিতে পারেনি।  
মেয়র নির্বাচিত হয়ে আমি সকল শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে সমম্বিত পরিকল্পনায় চান্দগাঁও মোহরাসহ পুরো চট্টগ্রাম নগরীকে নান্দনিক রুপে সাজাতে চাই। চট্টগ্রামের ধর্ম, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধির জন্য আমার পূর্বপুরুষরা কাজ করে গেছেন।
তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের সভ্যতার বিকাশের প্রাগৈতিহাসিক  কাল থেকে আমাদের বহরদার পরিবার অবদান রেখে আসছে।
ঐ পরিবারের সন্তান হিসেবে আমি চাই একটা নৈতিক চট্টগ্রাম উপহার দিতে। যেখানে মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং, দুর্ণীতি, রাহাজানি থাকবেনা। নির্মল পরিবেশে শিশুরা বেড়ে ওঠতে পারবে, নারীরা স্বীয় মর্যাদা নিয়ে কাজ করবে। যানজট, জলযটের মত বিভ্রাট থাকবে না। সম্প্রীতি ও সৌহার্দের পরিবেশ বিরাজ করবে।
রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে গণ সংযোগে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু তাহের, মহিলা সম্পাদিকা ও কাউন্সিলর প্রার্থী জোবাইরা নার্গিস খান, ৫ নং মোহরা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক জসীম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ হাসান খান মাসুক,  কাউন্সিলর প্রার্থী নুরুল আমিন মামুন প্রমুখ।


আপনার ভালো লাগতে পারে এমন আরো কিছু খবর